অর্থনীতি

জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকি

জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: এলএনজি নির্ভরতা নিয়ে আইইএ-এর গুরুতর সতর্কতা

Admin নভেম্বর ১৬, ২০২৫ 0

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA) তাদের সর্বশেষ 'World Energy Outlook 2025' প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে লক্ষ্য করে এক গুরুতর সতর্কতা জারি করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) আমদানির ওপর বাংলাদেশের দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া নির্ভরতা আগামী এক দশকে দেশটির সামগ্রিক অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করে দিতে পারে। বিশেষত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ ও আন্তর্জাতিক বাজারে দামের অস্থিরতা দেশকে অরক্ষিত করে তুলছে। ​১. 💰 অর্থনীতিতে উচ্চমূল্যের আঘাত ​আইইএ-এর তথ্য অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ গ্যাসের মজুদ দ্রুত হ্রাস পাওয়ায় বাংলাদেশ এখন তার মোট গ্যাস ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এলএনজি হিসেবে আমদানি করছে। এই আমদানিনির্ভরতা দেশের অর্থনীতিতে সরাসরি তিনটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে: ​ডলার সংকটের তীব্রতা: উচ্চমূল্যে এলএনজি কেনার জন্য বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে। এতে দেশের রিজার্ভের ওপর চরম চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা ডলারের ঘাটতিকে আরও বাড়িয়ে তুলছে এবং টাকার অবমূল্যায়নকে ত্বরান্বিত করছে। ​ভর্তুকি ও ঋণের বোঝা: আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চড়া দামে কিনে আনা এলএনজি কম দামে সরবরাহ করতে গিয়ে সরকারের ভর্তুকির বোঝা পর্বতসম হয়েছে। ভর্তুকি মেটাতে সরকারকে আরও বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে, যা দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি। ​বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি: উচ্চমূল্যের এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে, যা শিল্প ও ভোক্তা পর্যায়ে মূল্যস্ফীতিকে উসকে দিচ্ছে।

Popular post
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে জার্মানি স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানের দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে বীরের বেশে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল জার্মানি শাখার নেতৃবৃন্দ। ​এক যৌথ বিবৃতিতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল জার্মানি পূর্বের আহবায়ক মোঃ সুহেব আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক শফিকুল ইসলাম সাগর, যুগ্ন আহবায়ক রফিকুল ইসলাম এবং যুগ্ন আহবায়ক জাকির হোসেন সহ সংগঠনের সকল স্তরের নেতা-কর্মীরা শুভেচ্ছা জানান। ​বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, "বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অতন্দ্র প্রহরী তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দেশের মানুষের জন্য এক নতুন আশার আলো নিয়ে এসেছে। ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন আর গণমানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে তার নেতৃত্ব আজ অবিসংবাদিত। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ একটি সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।" ​জার্মানি স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা আরও উল্লেখ করেন, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন কেবল বিএনপির নেতাকর্মীদেরই নয়, বরং দেশের কোটি কোটি গণতন্ত্রকামী মানুষের বিজয়। প্রবাসে থেকেও তারা দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় এবং তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে সর্বদা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ​নেতৃবৃন্দ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং দেশের সেবায় তাঁর এই ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রার সাফল্য প্রার্থনা করেন।

১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনা

যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও সুস্বাস্থ্য কামনায় জার্মানির বার্লিনে এক বিশাল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ​বার্লিন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক সাগর আহমেদ। ​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জার্মানি বিএনপির সাবেক সভাপতি আকুল মিয়া এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গনি সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সহ-সভাপতি অপু চৌধুরী, সিনিয়র নেতা আবু হানিফ, বার্লিন মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি জসিম শিকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাবুল বেপারী, বার্লিন মহানগর বিএনপির আহবায়ক প্রার্থী মোসলেম উদ্দিন এবং বার্লিন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব প্রার্থী আবু তাহের  ও রুমন। ​সভায় বক্তারা মহান বিজয়ের চেতনাকে পাথেয় করে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তারা অবিলম্বে গুরুতর অসুস্থ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। ​অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবক দল জার্মানি পূর্ব-এর আহবায়ক মোঃ সুহেব আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক শফিকুল ইসলাম সাগর,  যুগ্ন আহবায়ক রফিকুল ইসলাম এবং যুগ্ন আহবায়ক​ বার্লিন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল ,ইস্তামুল হক সুমন। যুবদল নেতৃবৃন্দের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন যুবদল নেতা আব্দুল হান্নান রুহেল, আনহার মিয়া, সোহেল মিয়া, একরাম, একরাম হোসেন এবং আসিফ। ​সভার শেষ অংশে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা এবং স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে উপস্থিত সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে স্বেচ্ছাসেবক দল জার্মানি (পূর্ব) শাখার গভীর শোক প্রকাশ

  ​বার্লিন: বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, জার্মানি শাখা (পূর্ব)। ​আজ এক যৌথ শোক বার্তায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, "দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশ শুধু একজন মহান নেতাকেই হারায়নি, বরং দেশ হারালো তার অভিভাবককে। বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তাঁর ত্যাগ ও অবিচল নেতৃত্ব ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। জেল-জুলুম এবং শত প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি কখনও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি।" ​নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, "প্রবাসে থেকেও আমরা তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়েছি। তাঁর শূন্যতা কখনও পূরণ হওয়ার নয়। আমরা মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করার প্রার্থনা করছি।" ​স্বেচ্ছাসেবক দল জার্মানি (পূর্ব) শাখার পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবার এবং দেশ-বিদেশে থাকা কোটি কোটি জাতীয়তাবাদী অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। শোক বার্তায় সংগঠনের সকল স্তরের নেতা-কর্মীদের মরহুমার আত্মার শান্তির জন্য দোয়া করার আহ্বান জানানো হয়েছে। ​শোকান্তে: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল জার্মানি শাখা (পূর্ব)।  

কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে কাফের বা অমুসলিম ঘোষণা

সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত পরিষদ কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে কাফের বা অমুসলিম ঘোষণার পাশাপাশি ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেছে। সৌদি আরব, মিশর, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের প্রখ্যাত আলেম-উলামা, পীর-মাশায়েখ এবং ধর্মীয় পণ্ডিতদের উপস্থিতিতে গতকাল...

প্রতারক মামুনুর রশিদের খোঁজে ভুক্তভোগীরা

​পোল্যান্ড ও রোমানিয়া পাঠানোর নামে কোটি টাকা লোপাট: প্রতারক মামুনুর রশিদের খোঁজে ভুক্তভোগীরা ​বিশেষ প্রতিনিধি / নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা: ইউরোপের দেশ পোল্যান্ড এবং রোমানিয়ায় উচ্চ বেতনে চাকুরির লোভ দেখিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৭০ জন যুবকের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে। এই প্রতারণা চক্রের মূল হোতা মোঃ মামুনুর রশিদ নামের এক ব্যক্তি, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন নামে ভূঁইফোড় অফিস খুলে এই সুসংগঠিত জালিয়াতি চালিয়ে আসছেন। ​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ২০১৭ সাল থেকে শুরু করে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়ে পোল্যান্ড ও রোমানিয়া পাঠানোর কথা বলে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে পাসপোর্ট এবং অগ্রিম বাবদ ৩০,০০০/- টাকা করে নগদ গ্রহণ করেন মামুনুর রশিদ। পরবর্তীতে ভিসা প্রসেসিং ও অন্যান্য খরচের অজুহাতে ধাপে ধাপে প্রায় ১৮ থেকে ১৯ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। ​অফিস বদলে নতুন নতুন প্রতারণা ​অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতারণার টাকা তোলার জন্য মামুনুর রশিদ একেক সময় রাজধানীর একেক এলাকায় বিলাসবহুল অফিস খুলে বসেন। শুরুতে মিরপুরে ‘মাস্টার এডুকেশন’ নামে একটি অফিস খুলে যুবকদের ফাঁদে ফেলেন তিনি। এরপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে ও ভুক্তভোগীদের তাড়া এড়াতে পর্যায়ক্রমে উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর ও বনশ্রী এলাকায় অফিস স্থানান্তর করেন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে রাজধানীর বনানী এলাকায় একটি সাব-অফিস খুলে নতুন করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার জাল বিছিয়েছেন তিনি। ​স্ট্যাম্পে স্বীকারোক্তি ও চেক জালিয়াতি ​ভুক্তভোগীদের চাপের মুখে একপর্যায়ে ২০২২ সালের ২৪ আগস্ট একটি আপোষনামা চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন মামুনুর রশিদ। ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে তিনি স্বীকার করেন যে, ভুক্তভোগী প্রতিনিধি মোঃ সুহেবের কাছে তিনি মোট ৯,৫০,০০০/- (নয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা দেনা আছেন। উক্ত টাকা পরিশোধের লক্ষ্যে তিনি ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের ‘মাস্টার এডুকেশন’ অ্যাকাউন্টের বিপরীতে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকার একটি চেকও (চেক নং: 0520683) প্রদান করেন। কিন্তু পরবর্তীতে নির্ধারিত তারিখে ব্যাংকে টাকা তুলতে গেলে চেকটি ডিজনার হয় এবং মামুনুর রশিদ তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে আত্মগোপনে চলে যান। ​অভিযুক্তের পরিচয় ও বর্তমান অবস্থান পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী অভিযুক্ত মোঃ মামুনুর রশিদের (পাসপোর্ট নং- B00068837, এনআইডি নং- 2851122701) জন্ম ১৯৮৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর। তার পিতা মোঃ আবুল হাসেম এবং মাতা মালেকা বেগম। তিনি ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালী থানাধীন পূর্ব খাবাসপুর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। ​বর্তমানে এই প্রতারক বনানী এলাকায় অবস্থান করে তার কার্যক্রম চালাচ্ছেন বলে ভুক্তভোগীরা নিশ্চিত করেছেন। সর্বস্ব হারানো ৭০ জন যুবকের পরিবার এখন চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ধূর্ত এই মানবপাচারকারীকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আত্মসাৎকৃত টাকা উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। একই সাথে তার সন্ধানদাতাকে উপযুক্ত পুরষ্কার বা সম্মানী দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

অর্থনীতি

View more
জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: এলএনজি নির্ভরতা নিয়ে আইইএ-এর গুরুতর সতর্কতা

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA) তাদের সর্বশেষ 'World Energy Outlook 2025' প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে লক্ষ্য করে এক গুরুতর সতর্কতা জারি করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) আমদানির ওপর বাংলাদেশের দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া নির্ভরতা আগামী এক দশকে দেশটির সামগ্রিক অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করে দিতে পারে। বিশেষত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ ও আন্তর্জাতিক বাজারে দামের অস্থিরতা দেশকে অরক্ষিত করে তুলছে। ​১. 💰 অর্থনীতিতে উচ্চমূল্যের আঘাত ​আইইএ-এর তথ্য অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ গ্যাসের মজুদ দ্রুত হ্রাস পাওয়ায় বাংলাদেশ এখন তার মোট গ্যাস ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এলএনজি হিসেবে আমদানি করছে। এই আমদানিনির্ভরতা দেশের অর্থনীতিতে সরাসরি তিনটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে: ​ডলার সংকটের তীব্রতা: উচ্চমূল্যে এলএনজি কেনার জন্য বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে। এতে দেশের রিজার্ভের ওপর চরম চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা ডলারের ঘাটতিকে আরও বাড়িয়ে তুলছে এবং টাকার অবমূল্যায়নকে ত্বরান্বিত করছে। ​ভর্তুকি ও ঋণের বোঝা: আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চড়া দামে কিনে আনা এলএনজি কম দামে সরবরাহ করতে গিয়ে সরকারের ভর্তুকির বোঝা পর্বতসম হয়েছে। ভর্তুকি মেটাতে সরকারকে আরও বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে, যা দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি। ​বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি: উচ্চমূল্যের এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে, যা শিল্প ও ভোক্তা পর্যায়ে মূল্যস্ফীতিকে উসকে দিচ্ছে।

Admin নভেম্বর ১৬, ২০২৫ 0

সোনার দাম আবারো উঠান ও পতন

0 Comments