সর্বশেষ

Popular post
কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে কাফের বা অমুসলিম ঘোষণা

সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত পরিষদ কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে কাফের বা অমুসলিম ঘোষণার পাশাপাশি ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেছে। সৌদি আরব, মিশর, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের প্রখ্যাত আলেম-উলামা, পীর-মাশায়েখ এবং ধর্মীয় পণ্ডিতদের উপস্থিতিতে গতকাল...

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান-এর জন্মদিন উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

  জার্মান স্বেচ্ছাসেবক দলের পূর্ব শাখার আহ্বায়ক মো: সুহেব আহমেদ পক্ষ থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান-এর জন্মদিন উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ​এই দিনে তাঁর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য এবং রাজনৈতিক জীবনে সফলতা কামনা করি।  

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া: বিস্তারিত রাজনৈতিক জীবন ও বর্তমান পরিস্থিতি

  বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তিনি তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন। সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সরকার প্রধানের আসনে বসা— তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ছিল উল্লেখযোগ্য। নিচে তাঁর রাজনৈতিক জীবন এবং বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো: ​১. ব্যক্তিগত জীবন ও রাজনৈতিক অভিষেক ​বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল বাংলাদেশের ফেনী জেলায়। ১৯৬০ সালে তিনি তৎকালীন সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, যিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন। তাঁদের দুই পুত্র— তারেক রহমান (বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো। ​১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতিতে সক্রিয় হন। মূলত দলের কর্মী ও সমর্থকদের অনুরোধে তিনি ১৯৮২ সালের জানুয়ারি মাসে বিএনপিতে যোগ দেন এবং মাত্র দু'বছরের মধ্যে, ১৯৮৪ সালের আগস্ট মাসে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। ​২. গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ‘আপোসহীন নেত্রী’ উপাধি ​১৯৮০-এর দশকে সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। সামরিক শাসনের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি দৃঢ় অবস্থান নেন এবং সাত-দলীয় জোট গঠন করে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলেন। গণতন্ত্রের জন্য তাঁর এই আপোসহীন অবস্থানের কারণে তিনি দেশজুড়ে ‘আপোসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ​৩. প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিন মেয়াদ ও প্রধান অর্জন ​গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হলে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ​প্রথম মেয়াদ (১৯৯১–১৯৯৬): এই সময়ে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে দেশে সরকার পদ্ধতি পরিবর্তন করা হয় (দ্বাদশ সংশোধনী)। দ্বিতীয় মেয়াদ (১৯৯৬): তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার জন্য সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী পাশের পর তিনি ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। ​তৃতীয় মেয়াদ (২০০১–২০০৬): এই সময়ে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশের উপরে ছিল। তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) গঠন করেন। ​৪. বর্তমান অবস্থা ও স্বাস্থ্যগত জটিলতা ​বর্তমানে বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর স্বাস্থ্যগত জটিলতায় ভুগছেন। ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ, লিভার সিরোসিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসসহ নানা সমস্যায় তিনি আক্রান্ত। ​জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজা হওয়ার পর তিনি ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকার কর্তৃক নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে সাময়িক মুক্তি পান। সেই থেকে তিনি রাজধানী ঢাকার গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’-তে অবস্থান করছেন এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।  

কৃষিবিদ মসিউর সভাপতি, জসীম মহাসচিব: ফিশারিজ এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের নতুন কমিটি গঠিত

📰 কৃষিবিদ মসিউর সভাপতি, জসীম মহাসচিব: ফিশারিজ এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের নতুন কমিটি গঠিত বিশেষ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে অনুপ্রাণিত মৎস্য ও কৃষিখাতের পেশাজীবীদের সংগঠন ফিশারিজ এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (FAB)-এর ১৮ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে কৃষিবিদ মো: মশিউর রহমানকে সভাপতি এবং কৃষিবিদ মো: গিয়াসউদ্দিন সরকার জসীমকে মহাসচিব নির্বাচিত করা হয়েছে। এছাড়া কৃষিবিদ মোঃ আসলাম ফকির লিটন পেয়েছেন সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব। গত ১৫ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউশন-এর ক্যাফেটেরিয়ায় ফিশারিজ কৃষিবিদদের উপস্থিতিতে এক সাধারণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক সহ সভাপতি এফ এফ মো: আব্দুল জলিল-এর সভাপতিত্বে এবং সাবেক মহাসচিব কৃষিবিদ মো: আলি উর রেজা-এর পরিচালনায় সভাটি সঞ্চালনা করেন কৃষিবিদ মো: জাহিদুল ইসলাম চঞ্চল। বিগত কমিটির অর্থ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক সহ সাবেক সদস্যবৃন্দও এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভার শুরুতেই ফ্যাবের সংশোধিত গঠনতন্ত্র সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়। এরপর উপস্থিত সকলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে পূর্বের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী ধাপে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে ১৮ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। অতি শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নবনির্বাচিত আংশিক কমিটির পদাধিকারীবৃন্দ | সভাপতি | কৃষিবিদ মো: মশিউর রহমান | iমহাসচিব | কৃষিবিদ মো: গিয়াসউদ্দিন সরকার জসীম |  | সাংগঠনিক সম্পাদক | কৃষিবিদ মো: আসলাম ফকির লিটন | | সহ সভাপতি | কৃষিবিদ মো: আহসান হাসিব খান | | সহ সভাপতি | কৃষিবিদ প্রফেসর ডক্টর মো: মোসারফ হোসাইন | | সহ সভাপতি | কৃষিবিদ আবু মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান | | সহ সভাপতি | কৃষিবিদ প্রফেসর ডক্টর কাজী আহসান হাবীব | | সহ সভাপতি | কৃষিবিদ মো: সালমুন হাসান | | যুগ্ম মহাসচিব | কৃষিবিদ মো: কামরুজ্জামান | | যুগ্ম মহাসচিব | কৃষিবিদ মো: আনোয়ার কবির | | যুগ্ম মহাসচিব | কৃষিবিদ জাহিদুল ইসলাম চঞ্চল | | সহ সাংগঠনিক সম্পাদক | কৃষিবিদ মো: রবিউল করিম | | সহ সাংগঠনিক সম্পাদক | কৃষিবিদ মো: জাহিদুল ইসলাম | | অর্থ সম্পাদক (যুগ্ম মহাসচিব পদমর্যাদা) | কৃষিবিদ মো: মনজুরুল হক | | প্রচার সম্পাদক | কৃষিবিদ মোহাম্মদ জিয়াউল হক জুয়েল | | দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম মহাসচিব পদমর্যাদা) | কৃষিবিদ মো: রাশেদুজ্জামান দিপু | | সমাজ কল্যাণ সম্পাদক | কৃষিবিদ মো: আরিফুল ইসলাম | | গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক | কৃষিবিদ মো: মেসবাহুল নুর আনোয়ার কবির | নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ মৎস্যজীবীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করার পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শকে জনগণের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

গাজা ঘিরে ঘনীভূত হচ্ছে নতুন সংকট

  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনা স্থবির হয়ে পড়ায় গাজা উপত্যকা স্থায়ীভাবে ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল এবং হামাসশাসিত এলাকায় বিভক্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনা স্থবির হয়ে পড়ায় গাজা উপত্যকা স্থায়ীভাবে ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল এবং হামাসশাসিত এলাকায় বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। সরাসরি পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ইউরোপীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো প্রক্রিয়াটি কার্যত থমকে গেছে। ​পরিকল্পনার প্রথম ধাপ অনুযায়ী, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বর্তমানে গাজার প্রায় ৫৩ শতাংশ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে। দ্বিতীয় ধাপে ইসরায়েলের তথাকথিত 'ইয়োলো লাইন' থেকে পিছু হটা, একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠন এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণের প্রস্তাব ছিল। তবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণে অস্বীকৃতি, ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ভূমিকা মেনে না নেওয়া এবং বহুজাতিক বাহিনী গঠনে আন্তর্জাতিক দ্বিধার কারণে এই ধাপের বাস্তবায়ন অনিশ্চিত। ফলস্বরূপ, একাধিক সূত্র আশঙ্কা করছে যে যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো হস্তক্ষেপ ছাড়া এই 'ইয়োলো লাইন'ই গাজার অনানুষ্ঠানিক ও স্থায়ী সীমান্তে পরিণত হতে পারে।   আশঙ্কা বাড়ছে। সরাসরি পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ইউরোপীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো প্রক্রিয়াটি কার্যত থমকে গেছে।

Top week

বাংলাদেশ

কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে কাফের বা অমুসলিম ঘোষণা

Admin নভেম্বর ১৬, ২০২৫ 0